শনিবার, ২০ Jul ২০১৯, ০৩:৪৯ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ডাঃ আক্তার হোসেন লন্ডনে জুড়ি ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন ইউ,কে-এর ইফতার মাহফিল অনুষ্টিত ইউনানী-আয়ুর্বেদিক বিকল্প চিকিৎসা নয়, এটাই মূল চিকিৎসা, এ চিকিৎসা পদ্ধতির চিকিৎসকদের হয়রানী বন্ধ করতে হরে। বাংলাদেশে ইউনানি, আয়ুর্বেদিক এবং হোমিওপ্যাথিক কাউন্সিল গঠনের সুপারিশ দ্রুত কার্যক্রম গ্রহণ করা প্রয়োজন – ডাঃ মোঃ খায়রুল আলম সিলেট বিভাগে কাল পরিবহন ধর্মঘট ভূমি ব্যবস্থাপনায় সম্মননা পেলেন জুড়ীর ইউএনও শবে বরাত সৌভাগ্য ও অনুকম্পা অর্জনের উপায় সাংবাদিক চম্পুর উপর হামলা ফেইসবুকে নিন্দার ঝড় মৌলভীবাজার জেলার ৭টি উপজেলা থেকে নির্বাচিত চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানরা শপথ গ্রহন করেছেন হাকালুকি হাওরকে এশিয়ার ঐতিয্যবাহী হাওর হিসাবে তুলে ধরতে পরিকল্পনা গ্রহন করা হবে – পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী
৪৭ এ বিজয়-১৯৭১;লাশগুলো আবার দাঁড়াক!

৪৭ এ বিজয়-১৯৭১;লাশগুলো আবার দাঁড়াক!

‘ম্যায় ইস হারামজাদি কওম কা,নাসাল বদল দুন গা’
১০ এপ্রিল ১৯৭১ বাঙ্গালি জাতিকে গালি দিয়ে সভায় উর্দুতে কথাটা বলেছিল পাকিস্তানি কসাই নিয়াজি।
পাকি শুয়োরদের আক্রোশটা এমন স্পস্টই ছিল।
১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধটা তাই মোটেও গৃহযুদ্ধ কিংবা গন্ডগোল ছিল না।

লড়াইটা আপোষের ছিল না,ছিল স্বাধিকারের।
যুদ্ধক্ষেত্রে যেখানে নারী-শিশু নিরাপদ থাকার কথা,
সেখানে মুক্তিযুদ্ধে পাক বাহিনী ও তাদের এদেশীয় দালালদের বাঙ্গালি নারীদের ধর্ষণ ছিলো একটা উদ্দেশ্যমূলক সংঘবদ্ধ আগ্রাসন।
অতএব,
মুক্তিযুদ্ধটা কোন বিচ্ছিন্ন ঘটনা হতেই পারে না।
২৫ মার্চ ভয়াল সে কালোরাতে নিরস্ত্র বাঙালির উপর অতর্কিত আক্রমণ করে পাকিস্তানী হায়েনারা
নির্বিশেষে গণহত্যা চালায় পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী।

হ্যা,
১২০০ মাইল দুরের হিংস্র পাকিস্তানি হায়েনারা জানতো না এদেশের সব পথঘাট।
এদেশেরই কিছু নিমক হারাম বন্য দাঁতাল শুয়োর পাকিস্তানি হায়েনাদের সাথে জোট বেঁধেছিল।

২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধুর দেয়া স্বাধীনতা ঘোষণার মধ্যে দিয়ে এদেশের ছাত্র, যুবক, নারী, পুরুষ, কৃষক, শ্রমিক, শিক্ষক সকল শ্রেণী পেশার মানুষ, ধর্ম, বর্ণ, গোত্র, নির্বিশেষে লাখো বাঙালি ঝাঁপিয়ে পড়ে দেশমাতাকে রক্ষার সংগ্রামে।

২৭ মার্চ ৮ম ইষ্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের অধিনায়ক মেজর জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুর পক্ষে স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
৯ মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধ শেষে ৩০ লাখ শহীদের রক্ত আর ২ লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে,
১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর জেনারেল একে নিয়াজী ৯৩ হাজার সৈন্য নিয়ে ঢাকার ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় সেনাবাহিনীর যৌথ কমান্ডের কাছে নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করে।
উদ্ভাসিত হয় পৃথিবীর বুকে লাল সবজ পতাকা।

জন্ম হয় একটি নতুন স্বাধীন-সার্বভৌম দেশ-‘বাংলাদেশ’
এটা ইতিহাস।

৪৭ বছর পরে কেউ ত্যানা পেছালেও সেটা ইতিহাসই থাকবে।
বাবা-মা বললে মৃত্যুভয়ে দিবেন না ভেবে ঘর পালিয়ে তোমার-আমার মতো অনেকেই জীবনটাকেই বুলেট বানিয়ে যুদ্ধে চলে গেছে।
পূর্বপুরুষরা মাটির সাথে-রক্তের সাথে বেঈমানি করেনি,
দায়িত্ব এবার আমাদের ত্র প্রজন্মের ।
এতো রক্তের বিনিময়ে অর্জিত দেশে অবিনাশী সত্যাশ্রয়ী ইতিহাস বিকৃত হতে পারে না,
পক্ষ-বিপক্ষে শৃঙ্খলিত হতে পারে না বাংলাদেশ।
এ মুক্তিযুদ্ধ ই তো আমাদের সংহত করে
আজন্ম জ্বেলে দেবে অনির্বান আলোর উজ্জ্বল দ্বীপশিখা।

যুগটা এখন তথ্য প্রযুক্তির।
সত্যাশ্রয়ী ইতিহাস প্রশ্নে তন্ন তন্ন করে প্রজন্ম জন্মমাটির শুদ্ধ ইতিহাস খুঁজে নেবে।
সেখানে বাঙ্গলির নায়কেরা থাকবে নিজ অবস্থানে আর খলনায়কেরা বারবার হারের লজ্জায় মুখ লুকোবে।
সবাইকে বিজয় দিবসের নিরন্তর শুভেচ্ছা।
‘স্যালুট’ সব মুক্তিসেনাদের।
Jubayar Hasan,১৬.১২.২০১৮ইং,প্যারিস.

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




All rights reserved: moulvibazartimes.com
Design & Developed BY Popular-IT.Com