বৃহস্পতিবার, ১৮ Jul ২০১৯, ০৭:০৮ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ডাঃ আক্তার হোসেন লন্ডনে জুড়ি ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন ইউ,কে-এর ইফতার মাহফিল অনুষ্টিত ইউনানী-আয়ুর্বেদিক বিকল্প চিকিৎসা নয়, এটাই মূল চিকিৎসা, এ চিকিৎসা পদ্ধতির চিকিৎসকদের হয়রানী বন্ধ করতে হরে। বাংলাদেশে ইউনানি, আয়ুর্বেদিক এবং হোমিওপ্যাথিক কাউন্সিল গঠনের সুপারিশ দ্রুত কার্যক্রম গ্রহণ করা প্রয়োজন – ডাঃ মোঃ খায়রুল আলম সিলেট বিভাগে কাল পরিবহন ধর্মঘট ভূমি ব্যবস্থাপনায় সম্মননা পেলেন জুড়ীর ইউএনও শবে বরাত সৌভাগ্য ও অনুকম্পা অর্জনের উপায় সাংবাদিক চম্পুর উপর হামলা ফেইসবুকে নিন্দার ঝড় মৌলভীবাজার জেলার ৭টি উপজেলা থেকে নির্বাচিত চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানরা শপথ গ্রহন করেছেন হাকালুকি হাওরকে এশিয়ার ঐতিয্যবাহী হাওর হিসাবে তুলে ধরতে পরিকল্পনা গ্রহন করা হবে – পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী
গোলাপগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার বদলীর দাবীতে ‘‘আমরা গোলাপগঞ্জবাসীর’’ ব্যানারে প্রতিবাদ সভা

গোলাপগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার বদলীর দাবীতে ‘‘আমরা গোলাপগঞ্জবাসীর’’ ব্যানারে প্রতিবাদ সভা

সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা  অভিজিৎ কুমার পালকে অপসারণের দাবীতে আমরা গোলাপগঞ্জবাসীর ব্যানারে প্রতিবাদ জানিয়েছেন গোলাপগঞ্জের সুধিসমাজ।

গত ২১ জানুয়ারি সোমবার সন্ধ্যায় গোলাপগঞ্জ চৌমুহনীস্থ স্থানীয় একটি রেস্টুরেন্টে ‘‘আমরা গোলাপগঞ্জবাসীর’’ ব্যানারে উপজেলার সুধিসমাজ
মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা অভিজিৎ কুমার পালকে অপসারণের দাবীতে এক প্রতিবাদ সভা করেছেন। গণমানুষের অধিকার আদায়ের সংগঠন গণদাবী পরিষদের আহব্বানে ‘‘আমরা গোলাপগঞ্জবাসী’’ ব্যানারে সুধিসমাজ এ প্রতিবাদ সভার আয়োজন করে। সুধিসমাজের অভিযোগ, উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বিগত ২৩ মার্চ ২০১১ সালে গোলাপগঞ্জ উপজেলায় যোগদানের পর থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় গুলোতে দুর্নীতি হচ্ছে লাগামহীন। বিগত ৮ বছর ধরে একজন সরকারি কর্মকর্তা কি ভাবে উপজেলায় নিজের পৈতৃক সম্পত্তির মত চেয়ারকে মরণ কামড় দিয়ে আটকিয়ে রেখেছেন, তা এখন গোলাপগঞ্জ উপজেলাবাসীর মনে প্রশ্ন জাগছে।তাদের অভিযোগ, বিগত ৮ বছরে গোলাপগঞ্জের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে, বেশির ভাগ মোঠা অংকের অর্থের বিনিময়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, সিলেট জেলার স্থানীয় লোকদের শিক্ষক নিয়োগ না দিয়ে, বেশির ভাগ শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে আসছেন বহিরাগত অন্যান্য জেলা থেকে। গোলাপগঞ্জে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক কিংবা নৈশহপ্রহরী নিয়োগের ক্ষেত্রে টাকার ছড়া ছড়ি খাওয়া শিখিয়েছেন ওই কর্মকর্তা। আগে কখনও গোলাপগঞ্জে এসব ছিলনা না তার পাশাপাশি তিনি শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রাধান্য দিয়ে আসছেন নিজের সম্প্রদায় ব্যক্তিদ্বয়কে। দীর্ঘ দিন ধরে তিনি গোলাপগঞ্জের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক ও পরিচালনা কমিটির সভাপতিকে হাত করে নিয়োগ বাণিজ্য জমিয়ে তুলেছেন। এসব নিয়ে বার-বার আলোচনার মুখামুখি হলেও ওই কর্মকর্তা অদৃশ্য খুঁটির জোরে শক্ত ভাবে ঠিকে আছেন। তিনি সময়-সময় স্থানীয় বিভিন্ন ক্ষমতাশীল দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে সখ্যতা গড়ে তুলে, দুর্নীতির ঘাটি বানিয়েছেন গোলাপগঞ্জকে।
বিগত বছরে কৈলাশ দাখিল মাদ্রসায় এসএসসি পরীক্ষার ফি নিয়ে দর্নীতির জন্য তিনি স্থানীয়দের কাছে বেশ সমালোচিত হয়ে ছিলেন । ওই বছর ২০১৮ সালে পুর্ব রেঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ে লাইব্রেরীয়ান পদে ক্যাটালকার নিয়োগ দিতে গিয়ে গোপনে মোটা অংকের দরকশাকশি হয়ে ছিলো, স্থানীয় কয়েকজনের সাথে। পরবর্তীতে স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ সভাপতি ও পরিচালনা কমিটির সভাপতি, প্রধান শিক্ষক ও মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা তাদের দুর্নীতি আত্মপ্রকাশ হওয়ার সম্ভবনা দেখে, সিদ্ধান্ত পালটিয়ে ৫ লক্ষ টাকার বিনিময়ে নিয়োগ দেওয়া হয় রাজশাহী জেলার এক লাইব্রেরীয়ানকে। অনুরূপ ভাবে বরায়া স্কুলে নিয়োগ দিতে স্থানীয়দের তোপের মুখে পড়ে বাধ্য হয়ে নিয়োগ দিতে হয়, স্থানীয় এক শিক্ষকের স্ত্রীকে। এ দিকে ২১ জানুয়ারি ২০১৯ সালে ড. সৈয়দ মকবুল হোসেন উচ্চ বিদ্যালয়ে লাইব্রেরীয়ান নিয়োগ দিতে প্রধান শিক্ষক ও মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা স্থানীয় প্রার্থীদের সাথে করেছেন স্বার্থপরীতা। প্রায় ৪ থেকে ৫ লক্ষ টাকার বিনিময়ে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে সুনামগঞ্জ জেলার এক মহিলাকে, এ নিয়ে চলছে নানা গুঞ্জন। এসব দুর্নীতির বিরুদ্ধে স্হানীয়রা প্রতিবাদ জানাচ্ছেন গণদাবী পরিষদ ‘‘ আমরা গোলাপগঞ্জবাসী  ’’ নামক ব্যানারে। উক্ত প্রতিবাদ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণদাবী পরিষদের জনবন্ধু ডা. হাবিবুর রহমান, অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক আবুল কাশেম রুমন, সাংবাদিক জাকারিয়া তালুকদার, ভাদেশ্বর ইউনিয়নের বিশিষ্ট সমাজসেবী ও শিক্ষানুরাগী লুকু মিয়া, লক্ষণাবন্দ ইউনিয়নের শিক্ষানুরাগী রেকল আহমদ, ফুলবাড়ি ইউনিয়নের বাসীন্দা রুহুল ইসলাম, এ.কে.এম আব্দুল্লাহ, ঢাকাদক্ষিণ ইউনিয়নের সমাজসেবী খায়রুল ইসলাম, গোলাপগঞ্জ বাঘা ইউনিয়নের সমাজসেবী মানিক মিয়া, বুধবারি বাজার ইউনিয়নের বিশিষ্ট সমাজসেবী ও শিক্ষানুরাগী কয়েছ আহমদ, আব্দুল মালিক, শরিফগঞ্জ ইউনিয়নের শিক্ষানুরাগী ইসমাইল হোসেন, লক্ষীপাশা ইউনিয়নের শিক্ষানুরাগী সাবুল মিয়া, লায়েক আহমদ, সাংবাদিক শাহাজান আহমদ প্রমুখ। সভায় বক্তারা অবিলম্বে দুর্নীবাজ মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা অভিজিৎ কুমার পালকে
অপসারনের দাবী জানান সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট। সভা থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, আগামী সপ্তাহে দুর্নীতিবাজ অভিজিৎ কুমার পালের
বিরুদ্ধে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের বরাবরে স্মারক লিপি প্রদান করা হবে।

প্রেস বিজ্ঞপ্তি:

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




All rights reserved: moulvibazartimes.com
Design & Developed BY Popular-IT.Com