রবিবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০১৯, ০১:৫৭ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
চলে গেলেন কবি আল-মাহমুদ জুড়ীতে উপজেলা নির্বাচনে সতন্ত্র প্রার্থী মুক্তিযোদ্ধা মোঈদ ফারুকের মতবিনিময় সভা পরিনত হলো বিশাল জনসভায়। প্রশিক্ষণার্থীদের সনদপত্র প্রদান করল জুড়ীর হেক্সাস জুড়ীতে উপজেলা নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হচ্ছেন, মুক্তিযোদ্ধা এম, এ, মুঈদ ফারুক ইজতেমার কারণে এসএসসির তিন বিষয়ের পরীক্ষা পিছিয়েছে উপজেলা নির্বাচনে মৌলভীবাজারে নৌকার প্রার্থী যারা সিদ্ধান্ত পরিবর্তনঃ উপজেলা নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীরা পাবেন নৌকা ক্যান্সার আক্রান্ত মায়ের চিকিৎসায় সহযোগিতা চান যুবলীগনেতা চাম্পা ইউরোপ প্রবাসী সুলতান আহমদের বিরুদ্ধে অপ-প্রচার প্রতিদিন একটি ডিম খান হৃদরোগের ঝুঁকি কমান
জীবনের শেষ লগ্নে এসে রাগ জেদ আর অভিমান ভুলে বিদিশাকে সরি বললেন সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদ

জীবনের শেষ লগ্নে এসে রাগ জেদ আর অভিমান ভুলে বিদিশাকে সরি বললেন সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদ

মৌলভীবাজার টাইমস্ ডেস্কঃ

বিদিশা আবেগাপ্লুত হয়ে মনে করলেন তরুন বয়সের রাগ, প্রচন্ড রকমের জেদে আলাদা হয়ে যাওয়ার কাহিনীটা। মনে হল গ্যাপটা বড্ড বেশিই হয়ে গেছে যারা এখনো রাগ, জেদ, আর ইগোকে আকড়ে ধরে সম্পর্কের টানাপোড়ানে ভুগছেন। বিদিশা ইসলাম এরশাদের আবেগঘন পোস্টটি (ইংরেজি অক্ষরে বাংলায় লেখা) হুবহু তুলে ধরা হলো:

বিদিশা লিখেছেন, উনাকে আরও কিছুদিন বাঁচতে দিন। ফেসবুকে দেখেছি উনাকে মেরে ফেলেছেন। বিশ্বাস করুন, উনি আরও কিছুদিন বাঁচতে চান আমাদের ছেলে এরিকের জন্য। উনি পৃথিবীতে এরিক ছাড়া বোধ হয় আর কাউকে এতো ভালোবাসেননি। আমিও সব মাতৃত্বের লড়াই করার পরও ছেলেকে বাবা থেকে আলাদা করতে পারিনি।

সব থেকে বেশি ত্যাগ স্বীকার করেছি আমি আমার সন্তানকে কাছে না রেখে, চোখে না দেখে। তারপরও আমাকে পরম আনন্দ দেয় বাবা ছেলের খুনসুটি দেখে। কোনো শর্তের বন্ধন নেই। বাবা-ছেলের বয়সের পার্থক্যের পরও তাদের মধ্যে আড্ডা ও বন্ধুত্বের সম্পর্ক চোখে পড়ার মতো। ছেলেকে স্কুলে দিয়ে ও নিয়ে আসে একজন বৃদ্ধ পিতা। ছুটির দিনে বাবা-ছেলের একসঙ্গে ভ্রমণ। রাতে এরিক ছাড়া উনি ঘুমাতে পারেন না একদম। তাই তো গত সপ্তাহে আমি যখন সিএমএইচ গেলাম দেখতে, দেখি নাস্তা করেন নাই, অপেক্ষায় আছে এরিকের। দুপুরে এরিক স্কুল থেকে ফিরলে লাঞ্চ করবেন বললেন। আমাকে সরি বললেন, অনেক অন্যায় হয়ে গেছে আমার সঙ্গে যা সংশোধন করার উপায় নেই। তা অন্য প্রসঙ্গ। অনেক স্মৃতি চারণ করলেন তিনি। বলেই ফেললেন, রাত জেগে এরিক নাকি বক বক করে, যা নাকি আমি করতাম এক কালে। উনি চোখ বন্ধ করলে এরিক নাকি চোখ খুলে দেয়, বলে আচ্ছা ড্যাডি এইবার তাহলে একটা রবীন্দ্রসঙ্গীত শোনাই, কিন্তু তুমি তো ঘুমাবে না আমার আগে। গান করতে করতে এরিক নিজেই ঘুমিয়ে পড়ে। আমিও নাকি একি কাজ করতাম অনেক বছর আগে। সেদিন উনার চোখে জল ছিল। জীবন মৃত্যুর এই শেষ সময়ে উনার উপলব্ধিগুলো নিশ্চয়ই মিথ্যা না। চল্লিশ মিনিট আমার হাত উনার দুই হাত দিয়ে ধরে বসে ছিলেন। চোখ দিয়ে ঝরছিল জল আমাদের দুজনেরই। আমাদের দুইজনের মধ্যে সময়ের গ্যাপটা অনেক বেশি হয়ে গেছে এতদিনে, তাই উনার জীবনে শেষ সময়ে আমি কোনো সেবা করতে পারলাম না।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




All rights reserved: moulvibazartimes.com
Design & Developed BY Popular-IT.Com