শনিবার, ২০ Jul ২০১৯, ০৪:১১ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ডাঃ আক্তার হোসেন লন্ডনে জুড়ি ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন ইউ,কে-এর ইফতার মাহফিল অনুষ্টিত ইউনানী-আয়ুর্বেদিক বিকল্প চিকিৎসা নয়, এটাই মূল চিকিৎসা, এ চিকিৎসা পদ্ধতির চিকিৎসকদের হয়রানী বন্ধ করতে হরে। বাংলাদেশে ইউনানি, আয়ুর্বেদিক এবং হোমিওপ্যাথিক কাউন্সিল গঠনের সুপারিশ দ্রুত কার্যক্রম গ্রহণ করা প্রয়োজন – ডাঃ মোঃ খায়রুল আলম সিলেট বিভাগে কাল পরিবহন ধর্মঘট ভূমি ব্যবস্থাপনায় সম্মননা পেলেন জুড়ীর ইউএনও শবে বরাত সৌভাগ্য ও অনুকম্পা অর্জনের উপায় সাংবাদিক চম্পুর উপর হামলা ফেইসবুকে নিন্দার ঝড় মৌলভীবাজার জেলার ৭টি উপজেলা থেকে নির্বাচিত চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানরা শপথ গ্রহন করেছেন হাকালুকি হাওরকে এশিয়ার ঐতিয্যবাহী হাওর হিসাবে তুলে ধরতে পরিকল্পনা গ্রহন করা হবে – পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী
প্রতিদিন একটি ডিম খান হৃদরোগের ঝুঁকি কমান

প্রতিদিন একটি ডিম খান হৃদরোগের ঝুঁকি কমান

ডাঃ আব্দুল হান্নানঃ

চীনে পরিচালিত একটি নতুন গবেষণায় দেখা যায় ডিম খেলে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে। গবেষণায় দেখা গেছে যে, প্রতিদিন একটি ডিম খেলে কার্বোভ্যাস্কুলার রোগের ঝুঁকি ১৮% কমে থাকে বলে সিএনএন জানিয়েছে। এই গবেষণাটি হার্ট পত্রিকায় সোমবার প্রকাশিত হয়েছে।

এর আগে ডাক্তাররা প্রচুর পরিমাণে ডিম খাওয়ার বিরুদ্ধে রোগীদের সতর্ক করতেন, তারা বিশ্বাস করতেন উচ্চ মানের প্রোটিন এবং অন্যান্য ইতিবাচক পুষ্টি উপাদান থাকা সত্ত্বেও তাতে উচ্চ পরিমাণে কলেস্টেরল থাকে, যা হার্টের জন্য ক্ষতিকর।
যাইহোক, গবেষণা সহযোগী ক্যানকিং ইউ, ডিম এবং কার্ডিওভাসকুলার রোগের মধ্যে যে সম্পর্ক এই গবেষণাযর সামান্য নমুনা আকার এবং সীমিত তথ্যের কারণে, সন্ধেহ পুষন করে, আরো গবেষণার প্রয়োজন আছে বলে মনে করেন।
এই গবেষণায় চীনের জনসংখ্যা থেকে সীমিত পরিমান প্রমাণ পাওয়া গেছে। এখানে “খাদ্যা অভ্যাস, জীবনধারার মান এবং রোগ নিদর্শনগুলির মধ্যে বিশাল পার্থক্য রয়েছে”।
তিনি এবং তার সহকর্মীরা ডিম খাওয়া এবং কার্ডিওভাসকুলার রোগের সম্পর্কের তদন্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। গবেষণায় প্রাপ্তবয়স্কদের অর্থাৎ ৩০ থেকে ৭৯ বছর বয়সীদের ঝুকি ১৩% পাওয়া গেছে।
গবেষকরা এদের প্রতিদিন একটি ডিম খেতে বলেছিল, মাত্র ৯% এরও বেশি বা কখনও খুব কমই ডিম খেয়েছে বলে জানিয়েছে। প্রায় সব অংশগ্রহণকারী মুরগির ডিম খেয়েছিলেন।
প্রায় নয় বছর ধরে, গবেষণা দল এই নির্বাচিত গ্রুপেরর উপর নজর রাখেন। তারা গবেষণার সময় প্রধান করোনারি আর্টারীর উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করেন। ইউ এর মতে, কার্ডিওভাসকুলার রোগগুলি চীনের মৃত্যুর প্রধান কারণ, যা মোট মৃত্যুর অর্ধেকেরও বেশি।
ইউ বলেন,”হেমোরেজিক এবং ইসকেমিক স্ট্রোক অকাল মৃত্যুর প্রথম কারণ, যাহা হৃদরোগকে অনুসরণ করে”। গবেষণার সময়, গবেষকরা দেখেছেন যে ডিম খাওয়াকারীদের তুলনায় ডিম না খাওয়াকারীদের হৃদরোগের ঝুঁকি বেশী ছিলো।
অংশগ্রহণকারীদের যারা দৈনিক একটা ডিম খেয়েছিল তাদের রক্তক্ষরন জনিত স্ট্রোকের ঝুকি ২৬% কম ছিল, যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বা অন্যান্য উচ্চ আয়ের দেশগুলির তুলনায় চীনে বেশি। উপরন্তু, ডিম খাওয়াকারীদের এই ধরনের স্ট্রোক থেকে মৃত্যুর ঝুঁকি ২৮% কম ছিল। সব মিলিয়ে অবশেষে, ডিম খাওয়াকারীরা ইসকেমিক হৃদরোগেরর ঝুকি থেকে ১২% নিরাপদ ছিলো।
সুত্রঃ হিন্দুস্হান টাইমস

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




All rights reserved: moulvibazartimes.com
Design & Developed BY Popular-IT.Com