শনিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০১৯, ০৫:২৫ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
চলে গেলেন কবি আল-মাহমুদ জুড়ীতে উপজেলা নির্বাচনে সতন্ত্র প্রার্থী মুক্তিযোদ্ধা মোঈদ ফারুকের মতবিনিময় সভা পরিনত হলো বিশাল জনসভায়। প্রশিক্ষণার্থীদের সনদপত্র প্রদান করল জুড়ীর হেক্সাস জুড়ীতে উপজেলা নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হচ্ছেন, মুক্তিযোদ্ধা এম, এ, মুঈদ ফারুক ইজতেমার কারণে এসএসসির তিন বিষয়ের পরীক্ষা পিছিয়েছে উপজেলা নির্বাচনে মৌলভীবাজারে নৌকার প্রার্থী যারা সিদ্ধান্ত পরিবর্তনঃ উপজেলা নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীরা পাবেন নৌকা ক্যান্সার আক্রান্ত মায়ের চিকিৎসায় সহযোগিতা চান যুবলীগনেতা চাম্পা ইউরোপ প্রবাসী সুলতান আহমদের বিরুদ্ধে অপ-প্রচার প্রতিদিন একটি ডিম খান হৃদরোগের ঝুঁকি কমান
জুড়ীতে উপজেলা নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হচ্ছেন, মুক্তিযোদ্ধা এম, এ, মুঈদ ফারুক

জুড়ীতে উপজেলা নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হচ্ছেন, মুক্তিযোদ্ধা এম, এ, মুঈদ ফারুক

নিজেস্ব প্রতিবেদকঃ

আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন, প্রয়াত জুড়ী উপজেলা চেয়ারম্যান এম, এ, মুমিত আসুকের ছোট ভাই, হলেন্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা এম, এ, মুঈদ ফারুক।

উপজেলা নির্বাচনে নিজেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে ঘোষণা করে মৌলভীবাজার টাইমস্ কে বলেন, “আমি একজন বড় মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযোদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করে নিজের দ্বায়ীত্ব শেষ হয়নি, দেশ ও বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে, জননেত্রী শেখ হাসিনার ভীষন টুয়েন্টি টুয়েন্টি বাস্তবায়নই আমার মূল লক্ষ্য। এজন্যই আমি বিদেশ থেকে দেশে এসেছি। আমার উদ্দেশ্য হলো এলাকায় উন্নয়ন, শিক্ষা বিস্তার ও সুবিচার প্রতিষ্টা করা। আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান। আমি এবং আমার প্রয়াত বড় দুই ভাই মিলে বড়লেখা, জুড়ী, কুলাউড়া, মৌলভীবাজারে মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়েছি। স্বাধীনতার পর দেশ গড়ার কাজে সব সময় আমাদের এলাকা, বিশেষ করে জুড়ী উপজেলায় শিক্ষা, স্বাস্হ্য, ও সুবিচার আমরাই প্রতিষ্টা করেছি। আমার বড় ভাই জুড়ী উপজেলা পরিষদের প্রথম চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযযুদ্ধা এম, এ, মুমিত আসুক, আমৃত্যু জুড়ী উপজেলার জন্য অসুস্হ্য অবস্তায়ও জুড়ীবাসির জন্য কাজ করেগেছেন। আমার বড় ভাইয়ের অনুপস্হিতিতে বিগত প্রায় চার বছর আমার উপজেলার মানুষ সুবিচার, উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত।রাস্তা ঘাটের যে বেহাল দশা, তা দেখলেই বুঝাযায়, এ চার বছরে জুড়ীবাসি কি পেয়েছে। আজ জুড়ীবাসি অভিবাবকহীন। আমি একজন মুক্তিযুদ্ধা হিসাবে আমার দেশের জন্য, আমার ভাইদের অনুপস্তিতে, আমার উপজেলার সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করতেই আমার নির্বাচন করা, আমি জুড়ীবাসির সহযোগীতা চাই।” উল্লেখ্য আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে তিনি আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশি ছিলেন। তিনি দল থাকে মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র নির্বাচনের ঘোষণা দিলেন। এই নির্বাচনে দুজন মুক্তিযোদ্ধা, তিনি এবং উপজেলা আওয়ামীলীগের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা বদরুল হোসেন মনোনয়ন বঞ্চিত হন। এ নিয়ে আওয়ামী পরিবার ও মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে অসন্তুষ্টির মধ্যে তিনি এ ঘোষণা দিলেন।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




All rights reserved: moulvibazartimes.com
Design & Developed BY Popular-IT.Com