বুধবার, ২০ মার্চ ২০১৯, ০১:১৮ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
ভোটের মাঠে হাতি দিয়ে অন্যরকম প্রচারণা ! পুরান ঢাকার চকবাজারের ভয়াবহ আগুনে দুই চিকিৎসকসহ ছয়জন মারা গেছেন। চিরস্মরণীয় একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস চলে গেলেন কবি আল-মাহমুদ জুড়ীতে উপজেলা নির্বাচনে সতন্ত্র প্রার্থী মুক্তিযোদ্ধা মোঈদ ফারুকের মতবিনিময় সভা পরিনত হলো বিশাল জনসভায়। প্রশিক্ষণার্থীদের সনদপত্র প্রদান করল জুড়ীর হেক্সাস জুড়ীতে উপজেলা নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হচ্ছেন, মুক্তিযোদ্ধা এম, এ, মুঈদ ফারুক ইজতেমার কারণে এসএসসির তিন বিষয়ের পরীক্ষা পিছিয়েছে উপজেলা নির্বাচনে মৌলভীবাজারে নৌকার প্রার্থী যারা সিদ্ধান্ত পরিবর্তনঃ উপজেলা নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীরা পাবেন নৌকা
চলে গেলেন কবি আল-মাহমুদ

চলে গেলেন কবি আল-মাহমুদ

ডাঃ আব্দুল হান্নানঃ

বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি আল মাহমুদ মারা গেছেন। শুক্রবার রাত ১১টা ৫ মিনিটে ধানমন্ডি শঙ্করে অবস্থিত ইবনে সিনা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে আল মাহমুদের বয়স হয়েছিলো ৮২ বছর। তিনি বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন বলে জানান দায়িত্বরত চিকিৎসকরা।

কবি আল মাহমুদ। মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ (১১ জুলাই ১৯৩৬–১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯) যিনি আল মাহমুদ নামে অধিক পরিচিত, ছিলেন আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি। তিনি একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, ছোটগল্প লেখক, শিশুসাহিত্যিক এবং সাংবাদিক ছিলেন। বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয়াংশে সক্রিয় থেকে তিনি আধুনিক বাংলা কবিতাকে নতুন আঙ্গিকে, চেতনায় ও বাক্‌ভঙ্গীতে বিশেষভাবে সমৃদ্ধ করেছেন। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে সম্মুখ সমরেও অংশ নিয়েছেন। তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তীকালে প্রতিষ্ঠিত সরকার বিরোধী হিসেবে পরিচিত দৈনিক গণকণ্ঠ (১৯৭২-১৯৭৪) পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। (উইকিপিডিয়া)

তার পুরস্কার সমূহঃ

বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার (১৯৬৮)
জয় বাংলা পুরস্কার (১৯৭২)
হুমায়ুন কবীর স্মৃতি পুরস্কার (১৯৭২)
জীবনানন্দ স্মৃতি পুরস্কার (১৯৭২)
কাজী মোতাহার হোসেন সাহিত্য পুরস্কার (১৯৭৬)
কবি জসীম উদ্দিন পুরস্কার
ফিলিপস সাহিত্য পুরস্কার (১৯৮৬)
একুশে পদক (১৯৮৬)
নাসির উদ্দিন স্বর্ণপদক (১৯৯০)
ভানুসিংহ সম্মাননা পদক (২০০৪)
লালন পুরস্কার (২০১১)

সমালোচনাঃ
অনেকেই সমালোচনা করেন যে, আল মাহমুদ ১৯৯০’র দশকে ইসলামী ধর্মীয় বোধের দিকে ঝুঁকে পড়েন। তার কবিতায় ইসলামী চেতনার প্রতিফলন ঘটতে থাকে। যদিও তিনি বিভিন্ন সময় তা অস্বীকার করেছেন।
মজার ব্যাপার হলো তিনি স্বাধীনতা পরবর্তীকালে সরকার বিরোধী হয়েও বংগবন্ধুর কাছ থেকে ১৯৭২ সালে জয় বাংলা পুরস্কার পেয়েছিলেন।
পরে ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাকে শিল্পকলা একাডেমীর গবেষণা ও প্রকাশনা বিভাগের সহপরিচালক পদে নিয়োগ দেন। দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালনের পর তিনি পরিচালক হন। পরিচালক হিসেবে ১৯৯৩ সালে অবসর গ্রহণ করেন।
উইকিপিডিয়ার তথ্যমতে যে ১১ টি পুরস্কার তিনি পেয়েছিলেন তার কোনোটিই ইসলামী ধর্মীয় বোধের সাথে যায় না। অথচ ব্রিটিশ ভারতে জন্ম নেয়া এমন একজন গুনি আধুনিক প্রেম বিরহের কবি যার লেখার মূলে সর্বদাই ছিল বাংলাদেশ, চেতনায় বাংগালী। সেই চির সবুজ, ফুল ফসল আর নদী প্রিয় প্রেমের কবিকে কতটা অবহেলায় শেষ জীবন পার করতে হলো তা মিডিয়ার বদৌলতে সবাই দেখলাম।
অনেক নোংরা ভাষার সাহিত্যিক, কবি যারা খুব সস্তা ভাবেই যৌন সুড়সুড়ি দিতে পারেন তাদের অনেকেই রাস্ট্রীয় ব্যবস্থার উঁচুতে স্থান পায় অথচ তাদের বাংলাদেশ, বাংগালী জাতীয়তাবোধের প্রেম এবং দেশ প্রেম অনেক নিচুতে।
ইসলামী মূল্যবোধের কবি এই মিথ্যা অপবাদ দিয়ে তাকে আড়াল করে রাখা হয়।
যারা যার জন্য এইকাজ করলেন তিনি কি ইসলাম বা ধর্মীয় মূল্যবোধের বাহিরে?
অতি তোষামোদিরা দেশ, জাতির জন্য ক্ষতিকর যা ঐতিহাসিকভাবে প্রমাণিত।
শুধু মাত্র চামচামির অভাবে সত্যিকারের জ্ঞানী-গুনি দেশপ্রেমিক আজ বঞ্চিত।
যারা ক্ষমতার খুব নিকটে তাদের আরো বেশি দায়িত্ববোধের পরিচয় দেয়া উচিৎ।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




All rights reserved: moulvibazartimes.com
Design & Developed BY Popular-IT.Com